আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকে রেজিস্টর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। তো চলুন মূল পোস্টের দিকে যাওয়া যায়
ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে ঘাটাঘাটি বা কাজ করতে গেলে প্রথমে যে নামটি আসে তা হলো Resistor। এটি ইলেক্ট্রনিক্সের একটি সাধারন কম্পোনেন্ট। প্রতিটি ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিটে এই কম্পোনেন্ট ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যারা ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে কাজ করেন তাদের কাছে রেজিস্টর খুবই পরিচিত একটি কম্পোনেন্ট। এর বিশেষ একটি কাজ আছে।
এই লিখাটি কেন পড়বেন??
এই লেখাতে রেজিস্টর সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে যার মাধ্যমে আপানারা রেজিস্টরের সম্বন্ধে পরিস্কার ধারনা পাবেন। যে কারনে ব্যবহার করা হয়, একটি সার্কিটে রেজিস্টরের কি ভূমিকা। সার্কিটে Resistor সংযোগ পদ্ধতি।
রেজিস্টরের মান নির্ণয় পদ্ধতি লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
১.রেজিস্টর-কাকে বলে?
২.রেজিস্ট্যান্স কি?
৩.রেজিস্টরের প্রতীক, একক।
৪.প্রকারভেদ
৫.প্রধান কাজ
রেজিস্টর সার্কিটে সংযোগ পদ্ধতি
Resistor একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হচ্ছে রোধক। ইহা দুই প্রান্ত বিশিষ্ট একটি প্যাসিভ ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস। রোধ নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে এটা বাধা প্রধানকারি একটা ডিভাইস। পরিবাহির মধ্যদিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধা প্রধানকারি ডিভাইস-কে Resistor বলে।
রেজিস্ট্যান্সঃ
পরিবাহির যে বৈশিষ্ট্যর কারনে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় উক্ত বৈশিষ্ট্যকে রেজিস্ট্যান্স বলে।
প্রকাশ , প্রতীক ও একক:
রোধকে R দিয়ে প্রকাশ করে হয়ে থাকে। এর একক ওহম (Ω) । নিচের চিত্রের মধ্যে প্রতীক দেওয়া হলো যেগুলো বিভিন্ন সার্কিট বোর্ড ও সার্কিট ডায়াগ্রামে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
প্রকারভেদঃ
Resistor কে মুলত দুই প্রকার
১.ফিক্সড রেজিস্টর
•কার্বন কম্পোজিট
•কার্বন পাইল
•কার্বন ফিল্ম
•প্রিন্টেড কার্বন
•থিক এবং ফিল্ম
•মেটাল ফিল্ড
•মেটাল অক্সাইড ফিল্ড
•ওয়্যার উন্ড
•ফয়েল
২.ভেরিয়েবল রেজিস্টর
•এডজাস্টেবল
•পটেনশিওমিটার
•রেজিস্ট্যান্স ডিকেড বক্স
ফিক্সড রেজিস্টর:
Resistor
ভেরিয়েবল রেজিস্টর:
যে রেজিস্টরের মান প্রয়োজন অনুসারে কমানো-বাড়ানো সম্ভপ তাকে ভেরিয়েবল রেজস্টর বা পরিবর্তনশীল রেজিস্টর বলে।
রেজিস্টরের কাজঃ
সার্কিটে কারেন্ট প্রবাহ বাধা প্রধান করা বা ভোল্টেজ ড্রপ ঘটানো রেজিস্টরের প্রধান কাজ। এখন প্রশ্ন আসতে পারে কেন সার্কিটে বা কোন পার্টসকে কম ভোল্ট বা কারেন্ট প্রবাহে বাধা প্রধান করার প্রয়োজন পরে।
তাহলে একটি উদাহরন এর মাধ্যমে বলি, ধরুন একটা সার্কিটে এল ই ডি আছে ( লাইট ইমেটিং ডায়োড ) যার ভোল্টেজ রেঞ্জ ১.৫ থেকে ৩ ভোল্ট। কোন কারনে যদি সোর্স ভোল্টেজ ৩ ভোল্টের বেশি চলে আসে তখন কম্পোনেন্ট (এল ই ডি ) টি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এটি যাতে না ঘটে সে জন্য রেজিস্টর ব্যবহার করা হয়। Resistor এল ই ডি ক্ষেত্রে ৩ ভোল্টের বেশি ভোল্টেজ কে ড্রপ করে দিবে। রেজিস্টর প্রয়োজন মোতাবেক কারেন্ট ও ভোল্টেজ সরবরাহ করে থাকে।
এটি শুধুমাত্র একটি এল ই ডি ক্ষেত্রে উদাহরন। Resistor মূলত সকল ক্ষেত্রে এই ধরনের কাজ করে থাকে।
Resistor সার্কিটে সংযোগ পদ্ধতিঃ
সিরিজ সার্কিটে সংযোগ:
সিরিজ একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ হলো ধারাবাহিকভাবে। তাহলে এই ক্ষেত্রে একাদিল লোড (রেজিস্টর) একের পর এক বৈদ্যুতিক সোর্সের সাথে সংযুক্ত করে কারেন্ট প্রবাহের একটি পথ তৈরি করা হয়।
প্যারালাল সার্কিটে সংযোগ:
একাদিক লোড (রেজিস্টর) বৈদ্যুতিক উৎসের সাথে আড়াআড়িতে এমনভাবে (নিচের চিত্রের মতো) সংযুক্ত করা হয় যাতে কারেন্ট প্রবাহের একাদিক পথ থাকে।
রেজিস্টরের মান নির্ণয় পদ্ধতি লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
আমরা এই লেখাতে শুধু রেজিস্টরের কিছু বেসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের পরের লেখাটি হবে রেজিস্টরের মান নির্ণয় কালার কোডের মাধ্যমে এবং মাল্টিমিটার ব্যবহার করে।
Resistor নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আপনাদেরকে অনুরোধ রইলো কমেন্ট করার। আপনারা আমদেরকে ভালো লাগা বা খারাপ লাগার বিষয়গুলো জানাতে পারেন। আর লেখা গুলো ভালো লাগলে আপনাদেরকে অনুরোধ রইলো শেয়ার করতে।
সোর্সঃ ওয়িকিপিডিয়া
সবাই ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন ।
আল্লাহ হাফেজ






0 Comments